ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য নিবেদিত করার মাধ্যমেই নবী-রাসুলেরা চরিত্রের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিলেন। পবিত্র কোরআনের সুরা কলমে মহানবী (সা.)-এর মহান চরিত্রের প্রশংসা করে পরকালে অশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ইসলামি জীবনদর্শনে এই উত্তম চরিত্র অর্জনের মূল ভিত্তি হলো তাওহিদ বা একত্ববাদ।
পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে সৎকাজের গুরুত্ব ও অনৈতিকতা বর্জনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নামাজসহ সকল ইবাদতের মূল লক্ষ্য হলো মানুষকে নির্লজ্জ ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখা। নবী-রাসুলেরা তাঁদের জীবনে ‘শূন্য অনৈতিকতা’ বা ‘জিরো ইমমোরালিটি’র এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁরা একদিকে যেমন অনৈতিকতার কুফল সম্পর্কে সতর্ক করেছেন, অন্যদিকে নৈতিকতা ও সৎকাজের সুসংবাদ প্রদান করেছেন।
ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ কেবল একটি কালিমা নয়, বরং এটি জগৎ ব্যবস্থাপনার এক মহাসূত্র। এর মাধ্যমে সব অন্যায় ও অসৎকর্মকে বর্জন করে কেবল ন্যায় ও নৈতিকতাকে গ্রহণ করার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সময়ে মুসলিম উম্মাহর নানাবিধ সংকটের মূলে রয়েছে মহানবী (সা.)-এর প্রদর্শিত এই নৈতিকতার পথ থেকে বিচ্যুতি।
চট্টগ্রামের মাস্টার মেরিনার, মেরিন সার্ভেয়ার ও কনসালট্যান্ট মোহাম্মদ নাছির হোসাইন এই বিষয়ে আলোকপাত করে জানান, ইমানের ভিত্তিতে সৎকাজ করাই হলো সচ্চরিত্র অর্জনের একমাত্র পথ। এই আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনের যাবতীয় সংকটের সমাধান সম্ভব।
নবী-রাসুলদের মহান চরিত্র অর্জনের মূল ভিত্তি ছিল একমাত্র আল্লাহর ইবাদত। ইসলামি জীবনদর্শনে শূন্য অনৈতিকতা চর্চার মাধ্যমেই ইহকাল ও পরকালে প্রকৃত সফলতা অর্জন সম্ভব।



0 মন্তব্যসমূহ