রাজধানীর শাহবাগে ইরান, ফিলিস্তিন ও ইমাম খামেনির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ‘আজাদি পতাকা মিছিল’ করেছে জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টি (জেডিপি)। শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহীদ ইমাম খামেনির দাফন কার্যক্রম উপলক্ষে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো, ইরানের বিজয় উদযাপন এবং ফিলিস্তিনের জনগণের স্বাধীনতা ও ন্যায্য অধিকারের দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
মিছিলের আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক আইন এবং জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার রক্ষা করা বিশ্বশান্তির জন্য অপরিহার্য। তারা সামরিক আগ্রাসন ও নিরীহ মানুষের প্রাণহানির তীব্র নিন্দা জানিয়ে এসব বন্ধের আহ্বান জানান। বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের ইতিহাস। সেই চেতনা থেকেই বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব।
সমাবেশে বক্তারা ভারতের আগ্রাসী নীতির সমালোচনা করে পারস্পরিক সম্মান ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গেও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি পুনর্মূল্যায়নের দাবি তোলা হয়।
জেডিপির এই কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনি ইহসান, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, জাগপার যুগ্ম সদস্যসচিব লায়ন উমার রাজী, জনজোটের আহ্বায়ক মোজাম্মেল মিয়াজী, গ্রিন পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আম্মার, জনতার দলের যুগ্ম সদস্যসচিব স্বনাম ফুয়াদ এবং জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্যসচিব ডা. নাবিল আহমাদ।
ইরান ও ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে শাহবাগে আজাদি পতাকা মিছিল করেছে জেডিপি। সমাবেশে বক্তারা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা এবং আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।



0 মন্তব্যসমূহ