নিজস্ব প্রতিবেদক: বাঁশখালীর কাথারিয়া ইউনিয়নের মধ্যম মানিকপাঠান এলাকায় বিএডিসির নির্মাণাধীন সেতু নিয়ে যেন অভিযোগের শেষ নেই। পাথরের বদলে ইটের খোয়া, তুলনামূলক সরু রড, পানির মধ্যে নির্মাণকাজ, এসব অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর নির্মাণাধীন সেতুর একটি অংশ ভেঙেও পড়ে।
ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ভেঙে নতুন করে নির্মাণের কথা জানানো হলেও দেখা যাচ্ছে, পুনর্নির্মাণকাজও চলছে পানি ও কাদার মধ্যেই। শ্রমিকদের রডের কাঠামোর ভেতরে পানিতে দাঁড়িয়ে কাজ করতে দেখা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভেঙে পড়া অংশের আগের বাঁধা রড পুরোপুরি অপসারণ না করেই একই কাঠামোর ওপর পুনরায় কাজ করা হচ্ছে। তবে প্রকল্পের নকশা, BOQ ও কারিগরি পরীক্ষা ছাড়া এটি নকশাবহির্ভূত কি না নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এর আগে নির্মাণকাজে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযোগে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ সরঞ্জামও জব্দ করেছিল বলে জানা যায়।
সেতুর অংশ ভেঙে পড়ার কারণ হিসেবে বিএডিসির প্রকৌশলী মো. ইকবাল হোসেন জানিয়েছিলেন, কংক্রিট পূর্ণ শক্তি পাওয়ার আগেই এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি ভরাট করতে গিয়ে চাপ পড়ায় অংশটি ভেঙে যায়।
অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার সংবাদ প্রকাশ ও অভিযোগ ওঠার পরও কাজের মান যাচাইয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনের তথ্য তারা পাননি। কেউ কেউ দাবি করছেন, “উপর মহলকে ম্যানেজ” করেই কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তবে এ অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এখন প্রশ্ন, একটি সরকারি প্রকল্পে একের পর এক অভিযোগ, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ এবং নির্মাণাধীন অংশ ভেঙে পড়ার পরও কেন হচ্ছে না নিরপেক্ষ কারিগরি তদন্ত? নকশা, BOQ, রড ও কংক্রিটের মান যাচাই করলেই মিলতে পারে এসব প্রশ্নের উত্তর।
বাঁশখালীতে বিএডিসির নির্মাণাধীন সেতুর অংশ ভেঙে পড়ার পর পুনর্নির্মাণও পানি-কাদার মধ্যে চলছে বলে অভিযোগ। নকশা, BOQ, রড ও কংক্রিটের মান যাচাইয়ে নিরপেক্ষ কারিগরি তদন্ত চান স্থানীয়রা।



0 মন্তব্যসমূহ