চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাল সিল ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে ভবনের নকশা তৈরির অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পৌরসভার অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটির অভিযুক্ত তালিকায় রয়েছেন স্থাপতি ডিজাইন এন্ড কনসালট্যান্টের স্বত্বাধিকারী ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলী মোঃ কামরুদ্দোজা, সীতাকুণ্ড পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুন্নবী এবং নকশাকার গোলাম হায়দার মাসুম। উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর বাদসাকে প্রধান করে গঠিত এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী প্রনবেশ মহাজন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জামিরুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রকৌশলী মোঃ কামরুদ্দোজার বিরুদ্ধে পৌরসভার সিল ও স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ১০টি ভবনের নকশা অনুমোদনের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ৮টি সীতাকুণ্ড পৌর সদরের এবং বাকি ২টি মিরসরাই পৌর সদরের। প্রকৌশলী মোঃ জাহিদ ভূঁইয়া ও মোঃ আকরামুল হক এই অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়া স্থানীয় প্রকৌশলীদের অভিযোগ, নামমাত্র মূল্যে পৌর কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে এসব নকশা অনুমোদন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান মোঃ আলমগীর বাদসা জানান, বুধবার তিনি তদন্তের আনুষ্ঠানিক চিঠি হাতে পেয়েছেন এবং ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছেন। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সীতাকুণ্ডে জাল সিল ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে ভবনের নকশা অনুমোদনের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন সদস্যের এই কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।



0 মন্তব্যসমূহ