ঈদুল আজহার দিন ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে সেনাবাহিনীর ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিনি দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার সহযোগিতা পেলে সরকার ‘কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সাধারণ মানুষ এবং সৈনিকরা যেভাবে দেশকে কল্পনা করে, সরকার সেভাবেই পর্যায়ক্রমে দেশটিকে গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। দেশ গঠনে প্রত্যেকের নির্দিষ্ট কর্তব্য রয়েছে এবং সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতিচারণ করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সালের স্মৃতি মনে করে বলেন, এই সেনানিবাস এলাকায় তাঁর জীবনের একটি বড় অংশ জড়িয়ে আছে। শহীদ মইনুল সড়কের বাসায় থাকা, বন্ধুদের সঙ্গে সাইকেল চালানো এবং সিএমএইচ-এ যাতায়াতের নানা গল্প তিনি উপস্থিত সবার সঙ্গে শেয়ার করেন।
সেনাসদস্যদের ত্যাগের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রয়োজনে অনেকে ঈদের ছুটিতে বাড়ি যেতে পারেননি। জাতি এই আত্মত্যাগকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে। এছাড়া সম্প্রতি একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা থেকে ১৮ জন সাংবাদিককে উদ্ধারের জন্য তিনি সেনাবাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামসুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। প্রীতিভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী ‘পঁচিশ মৃত্যুঞ্জয়ী’ ভবনের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
ঈদুল আজহার দিনে ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও প্রীতিভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সবার সহযোগিতায় কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।



0 মন্তব্যসমূহ