Recents in Beach

Google Play App

মাদক ব্যবসায়ী নিধনের নামে অনেক নিরীহ মানুষ হত্যা করা হচ্ছে

বিএন ডেস্কঃ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, মাদক ব্যবসায়ী নিধনের নামে অনেক নিরীহ মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। একরামের ঘটনা হত্যা না বন্দুকযুদ্ধ, সেটা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। এই ‘হত্যাকাণ্ডের’ বিচার হতে হবে।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র: শহীদ জিয়া এবং আজকের প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় আবদুল্লাহ আল নোমান এ মন্তব্য করেন। ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে আজ সোমবার দুপুরে এ অনুষ্ঠান হয়। জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম-৭১ নামের একটি সংগঠন আলোচনা সভার আয়োজন করে।
আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, দেশের মানুষ মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে। যারা মাদক ব্যবসা করে, তারা ছাড়া সবাই এর বিরুদ্ধে। কিন্তু যে প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক উদ্দেশে মাদক ব্যবসায়ীদের নিধন চলছে, এটা সভ্য সমাজে কাম্য হতে পারে না। এসব বিষয়ে উচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ অথবা সমপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি করা প্রয়োজন। নিম্ন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে তদন্ত করলে চলবে না। তিনি বলেন, দেশ-বিদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এ ধরনের আইনবহির্ভূত হত্যা হতে পারে না। গণতান্ত্রিক সমাজে এ ধরনের হত্যা অমানবিক। কিন্তু তারপরও সরকার এসব বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে না।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিষয়ে আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, দেশে এখন একদলীয় শাসনব্যবস্থা চলছে। সংবিধান থেকে মৌলিক কিছু বিষয় বাদ দেওয়া হয়েছে। নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে যে নির্বাচন হয়েছিল, সেগুলো মন্দের ভালো ছিল। কাজেই আজকে দেশে নির্বাচন করতে হলে নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকার প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি ষড়যন্ত্রের নির্বাচন করতে চান, তাহলে বাংলাদেশের মানুষ এবার অতীতের আন্দোলনের মতো ঠেকিয়ে দেবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
সাবেক মন্ত্রী নোমান বলেন, আজকে অনেকে শঙ্কিত, তারা মনে করেন, এই আন্দোলন সফল হবে কি না। সরকারের জেলখানা আছে, অস্ত্র, গুন্ডা বাহিনী এবং অর্থ আছে। কিন্তু এই অস্ত্র-অর্থ-গুন্ডা কোনোটিই কাজে আসে না, যখন জনতা রুখে দাঁড়ায়।
জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম-৭১-এর সভাপতি ঢালী আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।
/প্রথমআলো

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য