Recents in Beach

ব্রেকিং নিউজ

হত্যা মামলার অভিযোগ, রাজনৈতিক পদ ও দুর্নীতিতে বরখাস্ত, তবুও চসিকের চাকরিতে জাহাঙ্গীর?

হত্যা মামলার অভিযোগ, রাজনৈতিক পদ ও দুর্নীতিতে বরখাস্ত, তবুও চসিকের চাকরিতে জাহাঙ্গীর?

নিজস্ব প্রতিবেদক: হত্যা মামলার আসামি হওয়ার অভিযোগ, রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন, ইজারায় দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত, এরপরও কীভাবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের চাকরিতে বহাল জাহাঙ্গীর? উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।

অভিযোগ রয়েছে, চসিকের কর্মচারী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ২০০৩ সালে বাঁশখালী থানার একটি হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি ছিলেন।

এদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাঁশখালীর কাথারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালনের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। প্রশ্ন উঠেছে, একজন সিটি করপোরেশন কর্মচারী কীভাবে রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকেন?

অন্যদিকে ২০২০ সালের নভেম্বরে চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের দায়িত্বকালে শাহ আমানত মার্কেটের পার্কিং ইজারায় অনিয়মের অভিযোগে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর নামে এক কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর আবারও চাকরিতে ফেরেন তিনি। কিন্তু কোন আদেশে, কার অনুমোদনে তাঁর পুনর্বহাল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এ ছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগের এমপির সাথে সখ্যতা থাকায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগও রয়েছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জাহাঙ্গীরের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সচেতন মহলে এখন প্রশ্ন, হত্যা মামলার অভিযোগ, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং ইজারায় অনিয়মের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্তের পর তাঁর চাকরিতে ফেরার প্রকৃত প্রক্রিয়া কী? এসব প্রশ্নের জবাব চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চায় সাধারণ মানুষ।

সংক্ষেপে:
হত্যা মামলার আসামি হওয়ার অভিযোগ, রাজনৈতিক পদে দায়িত্ব পালন ও পার্কিং ইজারায় অনিয়মের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্তের পর চসিক কর্মচারী জাহাঙ্গীর কীভাবে চাকরিতে ফিরলেন? উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।
হত্যা মামলার অভিযোগ, রাজনৈতিক পদ ও দুর্নীতিতে বরখাস্ত, তবুও চসিকের চাকরিতে জাহাঙ্গীর?

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ