দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও এই কার্ডের তালিকায় থাকবেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে মীর শাহে আলম বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার এবং ফ্যামিলি কার্ড চালু করা এই প্রশাসনের অন্যতম প্রধান প্রকল্প। এই কার্ড প্রাপ্তির জন্য কাউকে কোনো ধরনের ঘুষ দিতে হবে না এবং সবাই পর্যায়ক্রমে এটি হাতে পাবেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রথমে হতদরিদ্ররা এই কার্ড পাবেন, এরপর পর্যায়ক্রমে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তরা এবং সর্বশেষ চার বছরের মেয়াদের শেষ দিকে মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরাও এই কার্ড পাবেন। বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ বিভিন্ন খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাঁচ বছর পর সরকার জনগণের সামনে কাজের হিসাব পেশ করবে। সাম্প্রতিক বন্যায় বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে এবং সহায়তায় কোনো ঘাটতি থাকলে তিনি জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। বাঁশখালীর অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া সড়কটি ৩৪ ফুট প্রশস্ত করার জন্য ইতিমধ্যে টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয়ে এর কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া এলাকার অন্যান্য রাস্তা সংস্কার বা নতুন নির্মাণের তালিকা দিলে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। দীর্ঘ সময় পর বিএনপি ক্ষমতায় আসার কথা স্মরণ করে দলীয় নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান এবং দুঃসময়ের কর্মীদের পর্যায়ক্রমে মূল্যায়নের পাশাপাশি আইন ও বিধি মেনে চাকরি এবং বৈধ ডিলারশিপের সুযোগ দেওয়ার কথা জানান। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের স্থানীয় সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন।



0 মন্তব্যসমূহ