Recents in Beach

ব্রেকিং নিউজ

মহেশখালীর সোনাদিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাবে ১০ হাজার একর প্যারাবন উজাড় করে লবণ মাঠ ও চিংড়ি ঘের নির্মাণ

মহেশখালীর সোনাদিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাবে ১০ হাজার একর প্যারাবন উজাড় করে লবণ মাঠ ও চিংড়ি ঘের নির্মাণ

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া দ্বীপে প্রায় ১০ হাজার একর প্যারাবন দখল করে লবণ মাঠ ও চিংড়ি ঘের তৈরি করেছে প্রভাবশালী একটি চক্র। একসময়ের ঘন ম্যানগ্রোভ বন এখন মাটির বাঁধ আর ঘেরে পরিণত হয়েছে। সরকার সোনাদিয়াকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করলেও সেখানে বাণিজ্যিক রূপান্তর অব্যাহত রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইকোট্যুরিজম পার্কের নামে মাত্র ১ হাজার ১ টাকায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষকে (বেজা) জমি বরাদ্দ দেওয়া হলেও কোনো প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়নি, বরং বন উজাড় হয়েছে। পরিবেশবাদী সংগঠন ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির (ইয়েস) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক জানান, এই বন উপকূলের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে প্রভাবশালীরা এই দখলে জড়িত। বন বিভাগের মামলায় মহেশখালী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল করিমের ভগ্নিপতি জামায়াত নেতা ছৈয়দুল হক সিকদার, সাবেক উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আজিজুল করিম জয়, সাবেক সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিকের ফুফাতো ভাই মো. শমসের, উপজেলা বিএনপির সভাপতির ভাই কাইছার সিকদারসহ একাধিক রাজনৈতিক নেতার নাম উঠে এসেছে। এছাড়া কুতুবজোম ইউপি চেয়ারম্যান শেখ কামাল ও বেশ কয়েকজন ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। পরিবেশকর্মী রুহুল আমিনের মতে, বড় রাঘববোয়ালরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। পরিবেশ অধিদপ্তর ৫৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করলেও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মাহমুদ ডালিম জানান, অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংক্ষেপে:
মহেশখালীর সোনাদিয়ায় ১০ হাজার একর প্যারাবন দখল করে তৈরি হয়েছে লবণ মাঠ ও চিংড়ি ঘের। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বন উজাড়ের ঘটনায় ৫৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও থামছে না দখলদারিত্ব। বিপন্ন হচ্ছে উপকূলীয় পরিবেশ।
মহেশখালীর সোনাদিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাবে ১০ হাজার একর প্যারাবন উজাড় করে লবণ মাঠ ও চিংড়ি ঘের নির্মাণ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ