আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল হওয়া নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এর প্রভাবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনার অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ০৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই তেলের দাম কিছুটা হ্রাস পেয়ে ৯১ দশমিক ৯৯ ডলারে নেমেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার আলোচনার অগ্রগতি এখন বিশ্ব জ্বালানি বাজারের প্রধান উদ্বেগের কারণ। এদিকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার বা আইএইএ-র মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছেন, ইরানের পারমাণবিক প্রযুক্তি ও সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির সময়ের তুলনায় ইরান এখন প্রযুক্তিগতভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যদি কোনো নতুন চুক্তি হয়, তবে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতায় হবে। রাফায়েল গ্রোসি আরও জানান, চলমান আলোচনা থেকে যে সমঝোতা আসতে পারে, তা হবে যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি।
হরমুজ প্রণালি সচল হওয়া নিয়ে জল্পনা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আইএইএ প্রধান।



0 মন্তব্যসমূহ