পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এনেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। তার দাবি, দীপেন দেওয়ান স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেননি, বরং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সুপারিশ সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে তার মন্ত্রিত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে এক বার্তায় সর্বমিত্র চাকমা জানান, ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসেই সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পদত্যাগপত্র জমা দেন দীপেন দেওয়ান।
সর্বমিত্র চাকমার মতে, রাঙামাটি আসনের এই সংসদ সদস্য পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র। তিনি অভিযোগ করেন, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যকার বিরোধের জেরে মাত্র সাড়ে তিন মাসের মাথায় তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা পার্বত্যবাসীর মনে ক্ষোভের সৃষ্টি করবে। এদিকে, দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার ও তাকে স্বপদে বহালের দাবিতে সোমবার বিকেলে রাঙামাটির কাঁঠালতলী এলাকায় সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, ৬৩ বছর বয়সী দীপেন দেওয়ান সপ্তম বিসিএসের মাধ্যমে জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দিয়েছিলেন। প্রায় ২০ বছর বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০০৬ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি। তৎকালীন উপমন্ত্রী মনিস্বপন দেওয়ান দলত্যাগ করার পর দলের ক্রান্তিলগ্নে যুগ্ম জেলা জজের চাকরি ছেড়ে তিনি রাজনীতিতে ফিরেছিলেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিয়োগের দ্বন্দ্বেই কি মন্ত্রিত্ব হারালেন তিনি? বিস্তারিত পড়ুন।



0 মন্তব্যসমূহ