Recents in Beach

Google Play App

কোটা সংস্কার আন্দোলন নেতা ‘নিখোঁজ’ ফারুক গ্রেফতার

বিএন ডে্স্কঃ
কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা ‘নিখোঁজ’ ফারুক হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ডিএমপি পুলিশের এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) একটি মোটরসাইকেল পোড়ানোর মামলায় ফারুককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাকে আজ মঙ্গলবার আদালতে তোলা হচ্ছে। ফারুক কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে গঠিত সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক।
এর আগে ফারুক 'নিখোঁজ' বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। ফারুক হোসেনের বড় ভাই আরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ‘ফারুককে কাল মারধরের পর শহীদ মিনার থেকে শাহবাগ থানায় নেয়া হয়েছিল বলে তথ্য পেয়েছি। বিভিন্ন ফুটেজে দেখেছি ফারুককে মোটরসাইকেলে করে থানায় নেয়া হয়েছে। এরপর থেকে ফারুক নিখোঁজ। ফারুকের সন্ধান চেয়ে থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের দফতরে খোঁজ করেও পাইনি’।
তিনি বলেন, ‘আমি সবার কাছেই গেছি। ডিএমপির শাহবাগ, রমনা ও নিউমার্কেট থানায় গিয়েছি। ডিবি অফিসেও গিয়েছি। কিন্তু কেউ তাকে ধরেনি বলে জানিয়েছে।’
এর আগে গতকাল সোমবার কোটা সংস্কারের দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ চলার সময় ফারুককে তুলে শাহবাগ থানায় দিয়ে আসেন ছাত্রলীগের এক কর্মী।
আজ মঙ্গলবার ফারুকের বড় ভাই মো. আরিফুল ইসলাম শাহবাগ, রমনা ও নিউমার্কেট থানায় গিয়ে তাঁর ভাইয়ের সন্ধান পাননি বলে গণমাধ্যমকে জানান।
ফারুকের ভাই আরিফুল ইসলাম জানান, ’ভাইয়ের খোঁজে তিনি শাহবাগ, রমনা ও নিউমার্কেট থানায় যান। কিন্তু কোথাও পাননি। তিনি ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আল আমিন নামের ছাত্রলীগের এক কর্মী তাঁকে জানান, তিনিই ফারুককে তুলে নিয়ে শাহবাগ থানায় দিয়ে আসেন’।
তবে শাহবাগ থানার থানার ডিউটি অফিসার রমজান হোসেন জানিয়েছিলেন, থানায় ফারুক হোসেন নামের কেউ গ্রেপ্তার নেই। কোনো মামলাও নেই।
গতকাল কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে জড়ো হতে গেলে ছাত্রলীগের কর্মীরা হামলা চালান। তাঁদের কিল, ঘুষি, লাথি মেরে ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী ফারুক হোসেনকে মোটরসাইকেলে করে তুলে শাহবাগ থানায় নিয়ে যান ছাত্রলীগের এক কর্মী।

কোটা সংস্কার আন্দোলনে নতুন করে উত্তেজনা : বিবিসি বাংলা
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও আন্দোলনের একজন যুগ্ম-আহ্বায়ক গ্রেপ্তার হওয়াকে কেন্দ্র করে আবারো নতুন করে তৈরী হয়েছে উত্তেজনা।
রবিবার সকালে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী শাহবাগ থানায় আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় দায়ের করা এক মামলায় রাশেদ খানকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন যে রাশেদ খান ফেসবুক লাইভে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে সারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা অবনতি ঘটানোর উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিচ্ছিলেন।
রোববার সকালে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের একটি ফেসবুক গ্রুপে লাইভের মাধ্যমে রাশেদ খানকে সাহায্য চাইতে দেখা যায়। সেই লাইভে তিনি তাকে 'ধরে নিয়ে যাওয়া হবে' বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ও আন্দোলনের নেতাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের কয়েকজন নেতা জড়ো হলে সেখানে তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়। এসংক্রান্ত বেশ কিছু ভিডিও এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
অন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী আক্রমণকারীদের অধিকাংশই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী।
কোটা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ নামের সংগঠনটির আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বিবিসি'কে বলেন শনিবার সকালে তিনিসহ কোটা আন্দোলনের তিনজন নেতা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির সামনে পৌঁছালে তাদের ওপর হামলা চালায় সেখানে আগে থেকে জড়ো হয়ে থাকা ছাত্রলীগ কর্মীরা।
এসময় তিনি এবং আরেকজন নেতা লাইব্রেরির ভেতরে আশ্রয় নিলেও নুরুল হককে মারধর করা হয়।
আল মামুন বলেন, "একপর্যায়ে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তায় আমরা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা নিতে যাই।"
তবে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজেও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের হুমকির মুখে চিকিৎসা নিতে পারেননি বলে অভিযোগ করেন হাসান আল মামুন। পরে তারা বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি আবিদ আল হাসান এসব ঘটনায় ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আল মামুন বলেন, "আজ (রবিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধনের পরিকল্পনা থাকলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা দিবস হওয়ায় আজ সেই কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। তবে দিনাজপুরে হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয় আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করা হয়েছে।"
তবে আল মামুন বলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও ছাত্রলীগ কর্মীদের সাথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে।
এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ারও বেশকিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
হাসান আল মামুন অভিযোগ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রবিবার কোটা সংস্কার আন্দেোলন সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম ছির না। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরণের কর্মসূচী পরিচালনা করতে না পারেন তা নিশ্চিত করতে সারাদিনই ক্যাম্পাসে উপস্থিত ছিল ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা।
হাসান আল মামুন জানান সোমবার পূর্বঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করবেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বিচার চান শিক্ষার্থীরা
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার চেয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলার বিচার চেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে ‘নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থী’দের ব্যানারে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধন থেকে তারা এ দাবি জানান।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ‘ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা দে নইলে পদ ছেড়ে দে’, ‘ছাত্রলীগের সন্ত্রাস থেকে শিক্ষা বাচাঁও,’ ‘আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলার বিচার চাই’, ‘আন্দোলনের সাথে প্রহসন বন্ধ কর, যৌক্তিক সংস্কার কর’ ইত্যাদি স্লোগান সম্বলিত ব্যানার ও ফেন্টুর ব্যবহান করেন।
মানববন্ধনে উম্মে হাবিবা বেনজির নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ক্যাম্পাস খুলতে না খুলতেই গত দুইদিন ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রক্টর স্যার গত শনিবারের ঘটনায় বলেছেন, ক্যাম্পাস ছুটি ছিল, তিনি কিছু জানতেন না। তার কাছে কোনো অভিযোগ যায়নি। অথচ প্রক্টরের দায়িত্ব ক্যাম্পাসে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ক্যাম্পাস ছুটি কিনা এ কথা বলার কোনো সুযোগ নেই। তিনি দায়িত্ব পালন করতে না পারলে পদত্যাগ করুক।’
সালমান ফারসি নামের আরও এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘গত ১০ বছরে ছাত্রলীগের কেউ আহত হয়নি। তারা অন্যদের মারধর করে আহত করছেন। এতে তাদের কোনো বিচারও করে না প্রশাসন।’
শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তার সংকট দেখা দিয়েছে। ছাত্রদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রশাসনের উচিত তাদের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়া। প্রক্টর সার বলেছেন, কেউ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেবে। অথচ এদিকে গতকালকে হামলায় অনেকেই গুরুত্বর আহত হয়েছেন। কাউকে গুম করা হয়েছে। কারা অভিযোগ করবে। এগুলো প্রশাসন দেখে না?’
গতকাল সোমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী পতাকা মিছিল ও বিক্ষোভ করতে জড়ো হলে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের বেশ কিছু কলেজের ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। তবে হামলা বা মারধরের কথা অস্বীকার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান সানি।
এদিকে কোটা সংস্কারের এ আন্দোলনের মধ্যে গতকাল সোমবার কোটা ব্যবস্থা সংস্কার বা বাতিলের বিষয়ে সুপারিশ দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ কমিটি গঠন করে আদেশ জারি করা হয়েছে। আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

কমিটি গঠন
বাসস জানায়, সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে সরকার। এই কমিটি ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে সরকারের কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন পেশ করবে।
সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোটা পর্যালোচনা সংক্রান্ত এই কমিটি বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা, সংস্কার, বাতিলের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে সুপারিশসহ সরকারের কাছে প্রতিবেদন পেশ করবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব। কমিটি প্রয়োজনে যে কোন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করতে পারবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিধি) এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবেন।

মানববন্ধন
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ‘নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ’। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে ‘নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দের’ ব্যানারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
একই সময়ে রাজু ভাস্কর্যের সামনে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীর’ ব্যানারে পাল্টা আরেকটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে এই মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ও বিভিন্ন হল কমিটির নেতারা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর যে হামলা হয়েছে তার বিচার দাবি করেন এবং দোষীদের শাস্তি দাবী জানান। এ ছাড়া ডাকসু নির্বাচনেরও দাবি তোলেন। এই শিক্ষার্থীবৃন্দের মধ্যে ছিলেন, চারুকলার সাবেক শিক্ষার্থী সামান্থা শারমিন, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি বেনজির আহমেদ, বিশ্ব ধর্ম সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী জাকারিয়া হোসেন, নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দের সদস্য নূর আরাফাত, আলমগীর কবির সুমন।
মানববন্ধন শেষে নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর গোলাম রাব্বানীর অফিসের সামনে আসেন। এ সময় তারা প্রক্টরকে বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেন। কিন্তু তাঁদের সে প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেননি প্রক্টর। প্রক্টর তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রক্টরের বক্তব্য শেষ হলে নিপীড়ন বিরোধী ছাত্র সমাজ প্রক্টরের অফিসের সামনে অবস্থান নেন।
রাজু ভাস্কর্যের সামনে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীর’ ব্যানারে পাল্টা মানববন্ধনে ছিলেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তানভীরুল হক সৈকত, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ছাত্রবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক শেখ সাগর, জহুরুল হক হলের সহ সভাপতি কামালউদ্দীন রানা, জিয়া হলের উপপ্রচার বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুল হক শান্ত, বিজয় ৭১ হলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাকিব হাসান, এস এম হলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক।
সূত্রঃ ডি্/এন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য