আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যে বিষোদগার করা হয়েছে তাঁর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সভাপতি, সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল গফুর


সাংবাদিক সন্মেলনে বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যে বিষোদগার করা হয়েছে তাঁর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সভাপতি, সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল গফুর।
যুক্ত বিবৃতিতে বলেন - সংবাদ সন্মেলনে যে সব বিষয় অবতারণা করা হয়েছে তা পানি ঘোলা করার অপচেষ্টা ছাড়া অন্য কিছু নয়। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য আয়োজিত এ ধরনের ঘৃনা তৎপরতা বন্ধের সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহবান জানান।
আখতারুজ্জামান বাবু চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের অবিভাবক এবং আমাদের সকলের পরম শ্রদ্ধেয় নেতা ছিলেন। তাঁর নামে স্মৃতি সংসদের কথা বলে বাঁশখালী আওয়ামী লীগের রাজনীতি ঘোলাটে করার পায়তারা করছেন। আওয়ামী পরিবারের সকলের কাছে তারা চিহ্নিত।
বাঁশখালী আওয়ামী পরিবারের অবিভাবক প্রয়াত এডভোকেট সুলতান উল কবীর চৌধুরী ১৯৯৬ সাল থেকে ৫ বার জাতীয় সংসদে দলের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন, এই চক্রটি প্রতিবারই বিরোধীতা করেন। সর্বপরি বিগত ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারী জাতীয় সংকট উত্তরণের নির্বাচনে বর্তমান সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমানের নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে সাইকেল প্রতীকের পক্ষে নির্বাচন করেন।
সর্বপরি বিগত ইউপি নির্বাচনেও দলীয় সভানেত্রীর মনোনীত নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে ছিলেন এই চক্রটি। পৌরসভার নির্বাচনেও একই চিত্র।
আখতারুজ্জামান চৌধুরীর স্মৃতি সংসদের ব্যানারে কয়েকটি সভার কথা আমারা শুনেছি সেখানে কোন সংঘাত বা বিরোধ হয়নি। কিন্তুু গত ৯ নভেম্বর স্মরণ সভা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সম্পর্কে আমারা আগে থেকে কিছুই জানতাম না। যতটুকু জেনেছি সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমানের এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময়, এমপির নামে অশালীন শ্লোগান এবং ব্যানার ফেষ্টুন ছিঁড়ে ফেলা নিয়ে বাক বিতান্ড়া গালিগালাজ এবং সাধারণ জনগণের প্রতিরোধ যেটা কোন স্বচেতন মহলের কাম্য ছিলো না।
বাঁশখালী আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতা কর্মীদের অতীতের ন্যায় ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় তৈরী থাকার আহবান জানান।
সুত্রঃ দৈনিক আজাদী

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ