চট্টগ্রাম মহানগরীর ওপর জনসংখ্যা ও অবকাঠামোগত চাপ কমিয়ে শহরটিকে একটি আধুনিক, নান্দনিক এবং টেকসই মেগাসিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে ২৫ বছর মেয়াদী চতুর্থ মহাপরিকল্পনার খসড়া উন্মোচন করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। শনিবার (১ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই মহাপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। এতে শহরের পার্শ্ববর্তী আনোয়ারা, রাউজান, হাটহাজারী, পটিয়া এবং সীতাকুণ্ড এলাকাকে মূল পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই মাস্টারপ্ল্যানে মূল শহরের বাইরে সমন্বিত নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন মিনি ও স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাহাড়, নদী, খাল ও জলাশয় রক্ষায় কঠোর নজরদারির পাশাপাশি শিল্প, বাণিজ্য ও আবাসনের মধ্যে সুষম সমন্বয় এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে এই পরিকল্পনায়। সংবাদ সম্মেলনে সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন অতীতের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে বলেন, আইন ও দূরদর্শিতার অভাবে আগে পরিকল্পিত নগরী উপহার দেওয়া সম্ভব হয়নি, তবে এবার ভুলের পুনরাবৃত্তি হবে না। তিনি এই পরিকল্পনা সফল করতে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে মাস্টারপ্ল্যানের বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মো. আবু মুছা আনছারী। এসময় সিডিএ বোর্ড সদস্য এস এম জাহিদুল করিম, স্থপতি ফারুক আহমেদ, প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন, মো. নজরুল ইসলাম, সার্বক্ষণিক সদস্য মো. জামিলুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল, সচিব মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ এম হাবিবুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই মহাপরিকল্পনার বিষয়ে আগামী ২ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা ৬০ দিন নাগরিকরা তাদের মতামত বা আপত্তি জানাতে পারবেন। সিডিএ ভবন বা কর্তৃপক্ষের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে এই খসড়া পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান করা যাবে।
চট্টগ্রামকে আধুনিক ও টেকসই মেগাসিটি হিসেবে গড়ে তুলতে ২৫ বছর মেয়াদী চতুর্থ মহাপরিকল্পনার খসড়া উন্মোচন করেছে সিডিএ। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগামী ৬০ দিন নাগরিকরা তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিতে পারবেন।



0 মন্তব্যসমূহ