প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, স্বাধীনতার পর এখন দেশ গড়ার সময় এসেছে এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নই বর্তমান সরকারের একমাত্র লক্ষ্য। রোববার বিকেলে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে গৃহ হস্তান্তর, অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ আমাদের পরে স্বাধীন হয়েও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এগিয়ে গেছে। তাই বাংলাদেশকেও আর পিছিয়ে থাকা চলবে না। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার মাধ্যমে প্রত্যেকের নিজের ও পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে সরকার। বিভ্রান্তকারীদের কোনো প্ররোচনায় মানুষ আর পা দেবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০টি পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন। তিনি বলেন, জনগণের শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব। বিশেষ করে নারী ও যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান জানান, মায়েদের স্বাবলম্বী করতে ১৬ আগস্ট থেকে দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হচ্ছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে প্রায় ৪১ লাখ পরিবারের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বাঁশখালী উপজেলার ১০ থেকে ১২ হাজার পরিবার আগামী অর্থবছরে এই সুবিধার আওতায় আসবে। মায়েদের হাতকে শক্তিশালী করে একটি স্বাবলম্বী পরিবার গড়ে তোলাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য বলে তিনি জানান।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর ও অনুদান হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৬ আগস্ট থেকে দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনই সরকারের মূল লক্ষ্য।



0 মন্তব্যসমূহ