চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন স্বাক্ষরিত একটি নিয়োগ তালিকা গত ১৮ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর যোগ্য প্রার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
বাঁশখালীর ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার শতাধিক আবেদনকারী এই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আবেদন নেওয়া হলেও বাস্তবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ব্যক্তিগত সুপারিশের ভিত্তিতে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে তদবির গ্রহণযোগ্য নয় বলে উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে মেধার কোনো মূল্যায়ন করা হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
আবেদনকারীদের মতে, মৌখিক পরীক্ষায় পিছিয়ে থাকা বা অকৃতকার্য হওয়া অনেক প্রার্থী চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন। অন্যদিকে, যোগ্য ও মেধাবী অনেক প্রার্থীকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে সার্টিফিকেট যাচাই-বাছাইয়ের সময় থেকেই এই প্রক্রিয়ায় অনিয়ম শুরু হয়। এ নিয়ে এর আগে সংবাদ প্রকাশিত হলেও উপজেলা প্রশাসন স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পারেনি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এই অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বাঁশখালী উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে সুপারিশের ভিত্তিতে তালিকা তৈরির প্রতিবাদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শতাধিক আবেদনকারী।



0 মন্তব্যসমূহ