চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী উদ্ভাবন উৎসব ‘সাইব্লিটজ’। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর সংগঠন আইইইই স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ দ্বিতীয়বারের মতো এই প্রজেক্ট শোকেস প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। শুক্রবার সকালে হ্যাকাথনের মাধ্যমে এই আয়োজনের সূচনা হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরেন।
এবারের উৎসবে দেশের ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী সরাসরি অংশ নিচ্ছেন। প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীরা আধুনিক ইলেকট্রনিকস, এমবেডেড সিস্টেম ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি বিভিন্ন প্রকল্প প্রদর্শন করেন। বিশেষ করে চিকিৎসা সেবায় সহায়ক বিভিন্ন লার্নিং ডিভাইস দর্শকদের নজর কেড়েছে, যা রক্ত পরীক্ষা ও শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে সক্ষম। এসব প্রকল্পে আরডুইনো ও রাস্পবেরি পাইয়ের মতো মাইক্রোকন্ট্রোলার এবং বিভিন্ন সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে।
আয়োজনের টাইটেল স্পনসর হিসেবে রয়েছে প্রযুক্তি উন্নয়নমূলক প্ল্যাটফর্ম ‘শিস্টেম’ এবং গোল্ড স্পনসর হিসেবে যুক্ত আছে মেঘনা গ্রুপ। সহযোগিতায় রয়েছে প্রথম আলো। প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে হ্যাকাথনের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বানান প্রতিযোগিতা ‘স্টেম বি’ অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সেশনে বক্তব্য রাখেন সিমেন্সের আঞ্চলিক প্রধান ইরফান বিন আমদাদ চৌধুরী এবং ব্র্যাক আইটি সার্ভিসেস লিমিটেডের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) মো. মিনহাজুল আবেদীন।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী ফাহিম বিন জামান আয়োজনের শৃঙ্খলা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। আইইইই চুয়েটের প্রোগ্রাম সমন্বয়ক ফারদিন শাহ আজমী জানান, শিক্ষার্থীদের বাস্তব দক্ষতা বৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহ তৈরি করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। দ্বিতীয় দিনে থ্রি-মিনিট থিসিস প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
চুয়েটে শুরু হয়েছে ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী উদ্ভাবন উৎসব সাইব্লিটজ। আইইইই স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের এই আয়োজনে ৪৫০ শিক্ষার্থী তাদের আধুনিক প্রযুক্তিগত প্রকল্প প্রদর্শন করছেন।



0 মন্তব্যসমূহ