চট্টগ্রামের ১৯৯১ সালের ভয়াবহ বন্যার স্মৃতি আজও অমলিন চিকিৎসক দম্পতি রুপন্তি ও শ্যামের কাছে। সেই দুর্যোগের সময় ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়েই তাদের প্রথম পরিচয়, যা পরবর্তীতে পরিণয়ে রূপ নেয়। বর্তমানে এই দম্পতি যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ডা. রুপন্তি জানান, ১৯৯১ সালে তিনি যখন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী, তখন ভয়াবহ বন্যায় চারপাশ প্লাবিত হয়। বন্ধুদের সাথে ত্রাণ নিয়ে রাঙামাটির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন তারা। পথে ট্রাক আটকে গেলে দুর্গম পথ পাড়ি দিতে গিয়ে পা মচকে ফেলেন তিনি। সন্ধ্যার আগে আশ্রয় মেলে একটি অপরিচিত বাড়িতে, যা ছিল ডা. শ্যামের ঘর। সেই দুর্যোগপূর্ণ রাতে শ্যামের পরিবার তাদের পরম মমতায় আগলে রেখেছিল। রুপন্তির পায়ের ব্যথায় শ্যামের সেবা ও যত্ন থেকেই ভালো লাগার শুরু। পরবর্তীতে শ্যামও একই মেডিকেল কলেজে মাইগ্রেশন করে আসেন। পড়াশোনা শেষে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং জীবনসংগ্রামের নানা পথ পেরিয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে সুপ্রতিষ্ঠিত। দীর্ঘ কয়েক দশক পেরিয়ে গেলেও তাদের মধ্যকার সেই ভালোবাসা ও পারস্পরিক যত্ন আজও অটুট রয়েছে।
১৯৯১ সালের ভয়াবহ বন্যায় ত্রাণ দিতে গিয়ে পরিচয় হয়েছিল রুপন্তি ও শ্যামের। সেই দুর্যোগের দিনে শুরু হওয়া এক অনন্য প্রেমকাহিনীর গল্প নিয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে সুখে দিন কাটাচ্ছেন এই চিকিৎসক দম্পতি।



0 মন্তব্যসমূহ