নোয়াখালীর সুবর্ণচরে শান্তা রানী দাস (১৯) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের পশ্চিম চরজব্বর গ্রামের নাথ পাড়ার গণেশের বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয় বরং তার স্বামী বাপ্পী দেব নাথ (২৯) তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন।
নিহতের বাবা ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ফাজিলের ঘাট এলাকার বাসিন্দা অনন্ত জলদাস জানান, চার বছর আগে নিমাই দেব নাথের ছেলে বাপ্পীর সঙ্গে শান্তার বিয়ে হয়। তাদের ১৮ মাস বয়সী বর্ষা দেব নাথ নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বাপ্পী আগে চট্টগ্রামে একটি গার্মেন্টসে কাজ করার সময় এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এই বিষয় নিয়ে সোমবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঝগড়ার পর শান্তা তার স্বামীর জেঠা গণেশের ঘরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। মঙ্গলবার সকালে বাপ্পী তাকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যান এবং বেলা ১১টার দিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বাপ্পীর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। বুধবার সকালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে শান্তা রানী দাস নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরকীয়ার জেরে স্বামী তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।



0 মন্তব্যসমূহ