যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশ একটি প্রাথমিক ঐকমত্যে পৌঁছেছে। এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে জাহাজ চলাচল শুরু হবে। বিনিময়ে ইরানের বন্দর ও তেল বিক্রির ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়া হতে পারে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো এই চুক্তিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, চুক্তির খসড়া এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, তারা চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে না পারলেও খুব কাছাকাছি রয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই শান্তির পথে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। তবে আলোচনার মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। মার্কিন বাহিনী ইরানের বেশ কিছু ড্রোন ভূপাতিত করেছে এবং ইরানও মার্কিন বিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে। এই নাজুক পরিস্থিতির মধ্যেই পাকিস্তান মধ্যস্থতার চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালিতে নতুন কোনো শুল্ক আরোপের বিষয়ে ওমানকে সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির নতুন চুক্তি এখন ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায়। চুক্তিটি কার্যকর হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং ইরানের ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ উঠবে।



0 মন্তব্যসমূহ