আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মূলত নির্বাচনের ফলাফল অর্জনের চেয়েও এই প্রক্রিয়াকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে চায় তারা। এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও রাজপথ এবং জাতীয় সংসদে বিরোধী জোট হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য বজায় রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা।
ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের জন্য ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে এনসিপি। অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থীরাও নির্বাচনী তৎপরতা শুরু করেছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সমালোচনা এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে আসিফ মাহমুদ বনাম সাদিক কায়েমের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে এনসিপির অন্যতম নেতা সারজিস আলম জানিয়েছেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের চেয়েও তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক ভিত্তি তৈরি করা তাদের অগ্রাধিকার। তিনি মনে করেন, শক্তিশালী বিরোধী জোটের প্রয়োজনে সংসদে জামায়াতের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা জরুরি।
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া জানান, নির্বাচনে এককভাবে লড়তে তারা কারও মুখাপেক্ষী নন। তবে ক্ষমতাসীন বিএনপি প্রশাসনিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে থাকায় নির্বাচনে ভালো ফলাফল নিশ্চিত করতে জোটের নেতাদের সিদ্ধান্ত ও কৌশল পর্যবেক্ষণ করা হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে কমিটি গঠনের কাজ চললেও বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপি নেতারা।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে লড়ার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। তবে রাজপথ ও সংসদে জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকার কথা জানিয়েছেন দলটির নেতারা। সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।



0 মন্তব্যসমূহ