যুদ্ধক্ষেত্র ও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যৌন সহিংসতার অভিযোগে ইসরায়েলকে কালো তালিকাভুক্ত বা ‘ব্ল্যাকলিস্ট’ করেছে জাতিসংঘ। এ ঘটনার প্রতিবাদে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলে দাবি করে এর তীব্র নিন্দা জানান।
জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনীর ধর্ষণ ও বিভিন্ন ধরনের যৌন সহিংসতার অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘ এই পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২৬ সালের তালিকায় ইসরায়েলি কারা কর্তৃপক্ষকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি সংঘাত সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব ইসরায়েলকে হামাস ও আইএসআইএসের মতো সংগঠনের সঙ্গে একই তালিকায় স্থান দিয়েছেন। এটি জাতিসংঘের নৈতিক অবস্থানের অবক্ষয় এবং সংস্থাটির বিশ্বাসযোগ্যতায় বড় ধাক্কা। উল্লেখ্য, সংঘাত-সম্পর্কিত যৌন সহিংসতা নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্ষিক প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়, যেখানে সশস্ত্র সংঘাত চলাকালে যৌন সহিংসতায় জড়িত পক্ষগুলোকে চিহ্নিত করা হয়।
যুদ্ধক্ষেত্রে যৌন সহিংসতার অভিযোগে ইসরায়েলকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। এর প্রতিবাদে জাতিসংঘ মহাসচিবের কার্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক স্থগিত করেছে তেল আবিব। বিস্তারিত জানুন সংবাদে।



0 মন্তব্যসমূহ