Recents in Beach

Google Play App

বাঁশখালীতে ঈদ ফিরতি যাত্রীদের দুর্ভোগের যেনো শেষ নেই

মোহাম্মদ এরশাদঃ
বাঁশখালী উপজেলা থেকে চট্টগ্রাম শহরে যাতায়াতের মূল মাধ্যম হলো বাস এবং সিএনজি।এই সুযোগে বাস/সিএনজি দুটোই নিয়মিত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আসলে  শুরু হয় গলাকাটা ভাড়া আদায়।
এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলার বিভিন্ন সড়কে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিচ্ছে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪/৫ গুণ বেশি ভাড়া,সাথে আছে যানবাহন সংকট,যাত্রী হয়রানি ইত্যাদি কিন্তু দেখার নেই কেউ,
এদিকে ঈদ ফিরতি যাত্রীদের হয়রানি মাত্রাতিরিক্ত পর্যায়ে চলে গেছে।বাঁশখালীর প্রধান সড়কে ১৫০/২০০/৩৫০ টাকার নিচে কোনো যাত্রীই নিচ্ছেনা গাড়ীওয়ালারা।এতো বেশি ভাড়া নেওয়ার পরেও নিচ্ছে অতিরিক্ত যাত্রী,দেখলে মনে হয় যেন মালবাহী ট্রাক। যার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নিরীহ
যাত্রীদের।সরজমিনে পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখা গেছে, যে দুরত্বে স্বাভাবিক ভাড়া ২০-৮০ টাকা হওয়ার কথা সেখানে ১৩০-৩৫০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করছে।গাড়ী সংকটের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে পুরুষ, নারী সবাইকে।
ভাড়া বেশি কেনো নিচ্ছেন জিজ্ঞেসা করলে উলটা যাত্রীদেরকে নাজেহাল হতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।মান সম্মানের ভয়ে এসব নিরীহ যাত্রী রা অনিয়ম মেনে দিচ্ছে অনেক যাত্রী।যাত্রীদের অভিযোগ মালিক সমিতি এবং চালকরা সিন্ডিকেট করে তাদের শক্তি প্রদর্শন করছে, টিকেট কাউন্টার বন্ধ করে রেখেছে,কাউকেই টিকেট দিচ্ছেনা,নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে গিয়ে গাড়ী ছাড়ছে বেশি ভাড়া আদায়ের জন্য।
মোহাম্মদ ইমরান নামের এক যাত্রী অভিযোগ করে বলেন, টিকেট কাউন্টার থেকে ঘুষ দিয়ে টিকেট নিতে হচ্ছে,অন্যথা টিকেট দিচ্ছেনা।আরেক যাত্রী মোঃ আনিছ অভিযোগ গুনাগরী থেকে টিকেট কাটলেও টিকেটের নাম্বারের কোনো গাড়ী সে পায়নি।টিকেট কাউন্টারে বিষয়টা জানালে কাউন্টার কর্তৃপক্ষ তাকে নাজেহাল করে ছাড়ে।এসব অনিয়ম,যাত্রী হয়রানী,পরিবহন নৈরাজ্য নিয়মিত হওয়ার পরেও প্রশাসন এবং কর্তা ব্যক্তিদের চুপ থাকা নিয়েও আছে নানান প্রশ্ন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাস চালক বলেন-ঈদে,কোরবানে যে অতিরিক্ত ভাড়া নেয় তা থেকে উপরের লেভেলে অর্ধেক দিয়ে দিতে হয়।উপরের লেভেল বলতে প্রশাসন কিংবা কোনো নেতা কিনা তা জানতে চাইলে মুখ খুলতে রাজি হয়নি সেই চালক।
যাত্রী সাধারণের অভিযোগ-এই সমস্যা শুধু ঈদ নিয়ে নয়,প্রতিনিয়ত তারা পরিবহন নৈরাজ্যের শিকার হচ্ছে।বহুবার বিষয়গুলো প্রশাসন, এমপি, চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা লেভেলে জানানো হলেও তারা কোনো কিছুই করেনি। এখন শুধুই প্রশ্ন আসলেই কি এসব সমস্যার সুরাহা হবে নাকি এভাবে চলতে থাকবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য