Recents in Beach

Google Play App

মমতার ৩৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

মোহাম্মদ এরশাদঃ সময়ের বহমানতায় প্রতিষ্ঠার ৩৬তম বছরে পদার্পন করলো ‘শ্রেষ্ঠ সংগঠন’ হিসেবে জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত সংগঠন মমতা। সেই উপলক্ষে ৮ই জানুয়ারী মঙ্গলবার সকাল থেকে মমতা প্রধান কার্যালয় ও বিকেলে প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে শুরু করে নগরীর রীমা কনভেনশন সেন্টারে বয়ে যায় প্রাণের উচ্ছ্বাস। বিকেল ২.৩০ মিনিটে প্রেস ক্লাব চত্বর হতে মূল অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত মমতার ৩৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এক আনন্দ শোভাযাত্রা ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রা শেষে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানকে স্বাগত জানান অনুষ্ঠানের উদ্বোধক বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার নিতাই কুমার ভট্টাচার্য্য। এরপর তিনি মমতার তিন যুগ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গনের বাইরে আয়োজিত মমতার স্টল পরিদর্শন করেন। দুই পর্বে বিভক্ত অনুষ্ঠানে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, হুইল চেয়ার প্রদান, সেলাই মেশিন বিতরণ, মেধাবীদের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান, কৃতি শিক্ষার্থী ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মমতা কালচারাল ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় প্রথম পর্বের সমাপ্তি হয়। দ্বিতীয় পর্বে অর্থাৎ অনুষ্ঠানের মূল আয়োজনের শুরুতেই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ আসন গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব অমলেন্দু মুখার্জী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. উ খ্যে উইন, সিডিএফ এর নির্বাহী পরিচালক এম এ আউয়াল। অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে মমতা পরিবারে বিশেষ অবদান রেখে নক্ষত্ররূপে সন্তানদের লালন ও প্রতিষ্ঠার জন্য ফেরদৌসি আক্তারকে ‘রতœাগর্ভা সম্মাননা’, মমতার সদস্য পর্যায়ে টার্কি পালনে জান্নাতুল ফেরদৌসকে ‘শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা’- ১৯ সম্মাননা ও মমতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বরূপ সাধারন পরিষদের সদস্যদের, পরিচালনা পর্ষদের মধ্যে মমতায় প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও কার্যক্রমে স্বীকৃতি স্বরূপ তৌহিদ আহমেদ ও মমতায় অসাধারন অবদানের জন্য ইকবাল আল মাহমুদকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অমলেন্দু মুখার্জী বলেন, ‘মমতা মাইক্রোফিন্যান্স কার্যক্রমের পাশাপাশি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সমাজকল্যান মূলক কাজ করে যাচ্ছে, যা খুবই ইতিবাচক ও এ জাতীয় অন্যান্য সংস্থার জন্য শিক্ষনীয়। মমতার এ ধরনের কার্যক্রমের সমর্থনে এমআরএ সবসময় পাশে থাকবে।’ মমতার কার্যকরী পরিষদের সভাপতি বদিউজ্জামান খান ননীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মমতার উপ-প্রধান নির্বাহী মো. ফারুক। অনুষ্ঠানে আরও অভিমত ব্যক্ত করেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিম উদ্দিন শ্যামল, বিশিষ্ট শিল্পপতি আশফাক আহমেদ, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মো. রেজাউল করিম, মমতার সহ-সভাপতি হারুন ইউসুফ, সাধারন সম্পাদক মনসুর মাসুদ, সাধারন পরিষদ সদস্য সামশুন্নাহার দিবা, লায়লা আরজুমান্দ বানু, সদস্য হুমায়ুন কবির, সদস্য মোস্তফা কামাল যাত্রা, মমতার সিনিয়র পরিচালক স্বপ্না তালুকদার,পরিচালক তৌহিদ আহমেদ প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান সাবিহা নাহার মুছা এমপি, মমতার প্রধান নির্বাহী রফিক আহমদ, মমতার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, কার্যকরী ও সাধারন পরিষদের সদস্যবৃন্দ সহ অন্যান্য গন্যমান্য বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ। আমন্ত্রিত অতিথি বৃন্দের বক্তব্যের পর ভারত, ভুটান, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা হতে আগত শিল্পীদের অংশ্রগহনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপনী ঘোষনা করা হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য