Recents in Beach

Google Play App

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে বাঁশখালীর অর্ধ লাখ মানুষ

ডেস্ক রিপোর্টঃ চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার অন্তর্গত ৯নং (ক) শীলকূপ ইউনিয়নের মাঝামাঝি জালিয়াখালী খালের বেরিবাধটি শীলকূপ, মনকিচর, গন্ডামারা, বড়ঘোনা, সরল ইউনিয়নের বাসিন্দাদের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। বিগত কয়েক বছর ধরে জোয়ার ভাটার পানির তোড়ে বেরিবাধটি ভাঙতেই আছে। মনকিচর এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা আগে ২নং ওয়ার্ড আশার বড় বাড়ির পাশে বেরিবাধটি প্রায় সম্পূর্ণ ভেঙ্গে যায় । ফলে এই এলাকা সমূহের সাধারণ জনগণসহ নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধা, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য রাস্তাটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর আগেও কয়েকবার বেড়িবাঁধটি ভেঙ্গে গেলে স্হানীয় লোকজন কোন ভাবে সংস্কার করে দিলেন এই বেরিবাধটি। তবে এই সংস্কার বেশি দিন স্হায়ী হয়নি।খালের জোয়ারের পানির ধাক্বায় বেরিবাধটি আবারো ভাঙতে শুরু করেছে।

প্রতিদিন চাম্বল, গণ্ডামারা, শেখেরখীল, বাহমনিখীল, বড়ঘোনা, আলোকদিয়া, জালিয়াঘাটা, সরল, কাহারঘোনা, পাইরাং, মিঞ্জিরিতলা, বৈলছড়ি, জলদী, ভাদালিয়া, বাঁশখালী সদর, রুহুল্লাপাড়া, আস্করিয়া পাড়া, ৬০ ঘর পাড়া, খালাইচ্ছ্যার পাড়া, রঙ্গিয়াঘোনা সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ শীলকূপ মনকিচর ও গন্ডামারা ইউনিয়নে যাতায়তকারী প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়ত করেছে।

এছাড়াও এসব এলাকার বহু শিক্ষার্থী পড়াশুনার জন্য ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শীলকূপ বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়, আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া মনকিচর এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা এতিমখানা ও হেফজখানা, আল হুমায়রা মহিলা মাদ্রাসা, ও পশ্চিম মনকিচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ সহস্রাধিক শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়ত করে থাকে। এ বেরিবাধের উপর দিয়ে মনকিচর ও গন্ডামারা অধিকাংশ মানুষ বাঁশখালী উপজেলা সদর ও চট্টগ্রাম শহরে যেতে হয়।

বেরিবাধটি নির্মানের জন্য বাঁশখালীর স্হানীয় সংসদ সদস্য জনাব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, উপজেলা প্রশাসন, শীলকূপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন, ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিদ্দিক আকবর বাহাদুর সহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আর কয়েকদিনের মধ্যেই বেরিবাধ সম্পূর্ণ ভেঙ্গে লবণাক্ত পানি ঢুকে শীলকূপ ও মনকিচরের সকল ধানী জমি প্লাবিত হয়ে মানুষের ঘরবাড়ি ও পুকুর ডুবে জালিয়াখালি খালের তীরবর্তী ও আশপাশের এলাকা প্লাবিত হতে পারে। আর এতে প্রাণহানিরও আশঙ্কা করছেন গ্রামবাসীরা। তাই জনগনের সুবির্ধাতে দ্রুত বেরিবাধটি সংস্কার করার জন্য উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নিকট বিনীত অনুরোধ রইল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য