মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিশ্ববাজারে আমের ব্যাপক চাহিদা থাকে, যার বড় অংশই আমদানি করে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপের দেশগুলো। বর্তমানে আম রপ্তানিতে বিশ্বে শীর্ষস্থানে রয়েছে মেক্সিকো, যারা বছরে সাড়ে চার লাখ মেট্রিক টনের বেশি আম সরবরাহ করে। অন্যদিকে, আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম বা অষ্টম অবস্থানে থাকলেও রপ্তানির ক্ষেত্রে বেশ পিছিয়ে রয়েছে।
তথ্যমতে, ২০২৫ সালে কৃষিপণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রেড লিংক ইউরোপের তিনটি দেশে মাত্র ৩৫ টন আম রপ্তানি করেছে। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি সাতটি দেশে ৫৫ টন আম রপ্তানি করেছিল। তবে ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো চীনে আম রপ্তানি শুরু হওয়ায় নতুন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ল্যাবএইড হাসপাতালের পুষ্টিবিদ সামিয়া তাসনিম জানান, পাকা আমে ক্যালরি, শর্করা, ভিটামিন এ ও সি এবং বিটা ক্যারোটিনসহ ২৫ ধরনের ক্যারোটিনয়েড থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষ করে ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। প্রো-অ্যাকটিভ হাসপাতালের সিনিয়র ডায়েটিশিয়ান ও পুষ্টিবিদ নাজনীন এস মৌসুমী জানান, আমে থাকা ট্রিপটোফ্যান এবং প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে আম খাওয়ার পর তন্দ্রাভাব বা ঘুম আসতে পারে।
বিশ্ববাজারে আমের বিশাল চাহিদা থাকলেও রপ্তানিতে মেক্সিকোর তুলনায় অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ। তবে ২০২৫ সালে চীনে আম রপ্তানি শুরু হওয়ায় নতুন সম্ভাবনা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বিস্তারিত জানুন সংবাদে।



0 মন্তব্যসমূহ