Recents in Beach

Google Play App

বাঁশখালীতে ৪০ শতক ধানিজমিতে বিষ ঢেলে নষ্ট করল দুর্বৃত্তরা

মোহাম্মদ এরশাদঃ

চট্টগ্রামের  বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের নতুন পাড়া এলাকায় ধানি জমিতে বিষ ঢেলে দিয়ে প্রায় ৪০ শতক জমির ধানের চারা নষ্ট করেছে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুকুরিয়া ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা পুলক চক্রবর্ত্তী ও নাটমুড়া ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রিটন নাথ। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক পরিবার। 

স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পুকুরিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের নতুন পাড়া এলাকার বাস্তুহারা কৃষক আবুল হোছেন ও রেজিয়া বেগমের নামে বন্দোবস্তিকৃত ৮নং ওয়ার্ডের পাহাড়ি এলাকার ৪০ শতক ধানি জমিতে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে বিষ ঢেলে দেয় কতিপয় দুর্বৃত্তরা। এতে জমিতে রোপিত সম্পূর্ণ ধানের চারা নষ্ট হয়ে যায়। বিষ ঢেলে দিতে দেখে স্থানীয় লোকজন দুর্বৃত্তদের ধাওয়া করে। জানা যায়, বিগত ২০০৪ সালে ৫৫ শতক জায়গা নিজেদের নামে বন্দোবস্তির জন্য আবেদন করেন বাস্তুহারা আবুল হোছেন ও রেজিয়া বেগম। এরই প্রেক্ষিতে ২০০৭ সালে ভূমি অফিস কর্তৃক তাদের নামে ওই জায়গা বন্দোবস্তি প্রদান করা হলে সরকারি সার্ভেয়ার গিয়ে তাদেরকে পরিমাপ পূর্বক ওই বন্দোবস্তিকৃত জায়গা বুঝিয়ে দেন। ওই জায়গার ৪০ শতক জমিতে ধান চাষ এবং বাদবাকী ১৫ শতক জায়গায় গাছের চারা রোপন করেন তারা। 

ক্ষতিগ্রস্থ বাস্তুহারা কৃষক আবুল হোসেন বলেন, ‘জায়গাটি আমি এবং আমার স্ত্রীর নামে বন্দোবস্তি হওয়ার পর থেকে ধানের চারা এবং গাছের বাগান করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে আছি আমরা। স্থানীয় ৮নং ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়া এলাকার মৃত আবদুল হাফেজের পুত্র নাছির, মো. হোছাইন ও মহিউদ্দীন গংরা আমাদের বন্দোবস্তিকৃত জায়গার ওপর কুনজর ফেলে তা দখলে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা চালায়। এরই মধ্যে তারা আমাদের বন্দোবস্তিকৃত ওই জমিতে বিষ ঢেলে দিয়ে ৪০ শতক জমির সম্পূর্ণ ধানের চারা নষ্ট করে দিয়েছে। আমি প্রশাসনের নিকট এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।’

এ ব্যাপারে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার বলেন, ‘পুকুরিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড এলাকায় বিষ ঢেলে দিয়ে ধানের চারা নষ্ট করে দেয়ার অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত পূর্বক অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য