Recents in Beach

Google Play App

মির্জাপুরে জনবান্ধব এসিল্যান্ড বাঁশখালীর সন্তান মো.আজগর হোসেন

মোহাম্মদ এরশাদ:
জনবান্ধব এসিল্যান্ড বদলে দিলেন মির্জাপুর উপজেলা ভূমি অফিসের চিত্র এমন সংবাদটি প্রকাশিত হয় দৈনিক ডেসটিনিতে। ভূমি একজন মানুষের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন। মানুষ তার সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে একখন্ড ভূমি কিনে সেই ভূমির প্রশাসনিক রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব যদি যোগ্য হাতে না পড়ে তবেই বাড়ে জনভোগান্তি। ভূমি অফিসগুলোর দীর্ঘদিনের জীর্ণতা আর দৈন্যতাকে পিছনে ঝেরে ফেলে নতুন উদ্যোমে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও অফিস সংস্কারে হাত দিয়েছেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বর্তমান সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আজগর হোসেন। যিনি বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন ইতিবাচক মনোভাব সম্পন্ন কর্মকর্তা। আমাদের দেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে জনগণের অভাব-অভিযোগই কেবল শোনা যায় প্রতিনিয়ত। তবে তাদের মাঝে ব্যতিক্রমও পাওয়া যায়। যারা নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে জনগণের আস্থা ও প্রিয় মানুষ হয়ে ওঠেন। হয়রানি থেকে মুক্তি দেন মানুষকে, নিজের সরকারি দপ্তরকে করে তোলেছেন জনবান্ধব। যেখানে ভূমি অফিস মানেই ভোগান্তি, টাকার ছড়াছড়ি, সাধারণ মানুষের হয়রানি আর অসহায়তার জায়গা, সেখানে একটি স্বচ্ছ, ঘুষবিহীন ও জবাবদিহিতামূলক সেবা কার্যক্রম পাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন মো. আজগর হোসেন। তার নেতৃত্বে মির্জাপুর ভূমি অফিসের সব নৈরাজ্য দূর হয়ে সেখানে তৈরি হয়েছে আস্থার পরিবেশ। বর্তমান এসিল্যান্ড ২০১৭ সালের ৮ অক্টোবর যোগদানের পর থেকে তার ইতিবাচক মনোভাবের কারণে মির্জাপুর উপজেলা ভূমি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারিদের মধ্যে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ইতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে। তা ছাড়াও এসিল্যান্ড অফিসে ডিজিটার হাজিরা মেশিন স্থাপন, রেকর্ড রুম সম্প্রসারণ, অফিসের সুন্দর্য বর্ধায়ন,সিটিজেন চার্টার ও জনসচেতনামূলক নানা উন্নয়নমূখী কার্যক্রম সম্পূর্ণ করা হয়েছে। সেবাপ্রার্থীরা বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ফরম পাচ্ছেন। তাছাড়াও প্রতিনিয়ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে আসছে। মাত্র এক বছরে মির্জাপুর উপজেলার এই সহকারী কমিশনার (ভূমি) এখানে সবার কাছে প্রিয় কর্মকর্তা হয়ে ওঠেছেন। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন এই কর্মকর্তা। মো. আজগর হোসেন ৩৩তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন সদস্য। এর আগে তিনি রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ পাস করেন । ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। তিনি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পৌরসভার দক্ষিণ জলদী দোসারি পাড়া ৯নং ওয়ার্ডের মো. শামশুল আলমের সুযোগ্য পুত্র।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য