Recents in Beach

Google Play App

বাঁশখালীর চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার ২য় আসামী তালেবকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭

মোহাম্মদ এরশাদঃ
চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানাধীন আগ্রাবাদস্থ জাম্বুরি পার্ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাঁশখালী থানার চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার ২য় আসামী আবু তালেব (৪৫)’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭।

র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদ্ঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃংখলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। র‌্যাবের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ধর্ষক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, ডাকাত, খুনি, বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার, মাদক উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

গত ২৭ এপ্রিল ২০২০ খ্রিস্টাব্দ তারিখে বাঁশখালীর উপজেলার বৈলছড়ি এলাকায় গণধর্ষণের শিকার হয় এক তরুণী। ভিকটিম  তরুণীকে বাড়ি পৌঁছে দেয়ার কথা বলে আবদুল মজিদ, আবু তালেব ও অপর একজন মিলে ভিকটিমকে গণধর্ষণ করে। ভিকটিমের চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে ধর্ষকেরা পালিয়ে যায়। গণধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে র‌্যাব-৭ তৎপর থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানার চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় ২নং আসামী আবু তালেব চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানাধীন আগ্রাবাদস্থ জাম্বুরি পার্ক এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য ১৪ জুলাই ২০২০ ইং তারিখ ভোর ০৫১০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামী আবু তালেব (৪৫), পিতা- আহম্মদ জমির, গ্রাম- পশ্চিম চেচুরিয়া, থানা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম’কে আটক করে। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে বাঁশখালী থানার গণধর্ষণ মামলার ২নং পলাতক আসামী বলে স্বীকার করে (মামলা নং-৩৪, তারিখঃ ২৮-০৪-২০২০ ইং)। উল্লেখ্য যে, উক্ত মামলার ১নং আসামী আব্দুল মজিদ গত ১৫ জুন ২০২০ ইং তারিখে র‌্যাবের সাথে গোলাগুলিতে নিহত হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আসামীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য