Recents in Beach

Google Play App

বাঁশখালীতে ২১ শে অাগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে আওয়ামীলীগের অালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মোহাম্মদ এরশাদঃ
বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ,মহিলা আওয়ামীলীগ কতৃক আয়োজিত চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে ২১ শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, 

 ২১ আগষ্ট  চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অালহাজ্ব মুজিবুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি ও চট্টগ্রাম ১৬ বাঁশখালী আসনের সংসদ সদস্য  অালহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান 
চৌধুরী (এম.পি.), বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল গফুর, বাঁশখালী  পৌরসভা মেয়র শেখ সেলিমুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সচিব ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহিদা আক্তার জাহান,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহি উদ্দিন চৌধুরী খোকা, বাঁশখালী উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহেনা আক্তার কাজমী,চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি ও কালীপুর  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আ ন ম শাহাদাত আলম, শেখের খীল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইয়াছিন, ৭নং সরল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ চৌধুরী, বৈলছড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ কপিল উদ্দিন, ৩নং খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বদরুদ্দীন চৌধুরী, 
উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বাহারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় এ সময় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, মাস্টার শামশুল আলম ছিদ্দিকী, এসএম মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী রয়ান জন্নাত, ছাদুর রশীদ, এডভোকেট তোফাইল বিন হোসাইন, মো. হামিদ উল্লাহ, মাওলানা আক্তার হোসাইন, মাস্টার মো. আজিজ, মিজান সিকদার প্রমুখ।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, ২১ আগষ্টের গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে আওয়ামীলীগকে নেতৃত্বশূণ্য করতে চেয়েছিল।
কিন্তু হামলাকারীরা সফলকামী হতে পারে নাই। স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত বিএনপি ক্ষমতায় থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল হাওয়া ভবনে। মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তি মোতাবেক তারেক জিয়া, স্বরাষ্ট্র লুৎফুর জামান বাবর ও আলী আহসান মুজাহিদরা বৈঠক করে এই হামলার পরিকল্পনা করে। কিন্তু তাদের এই পরিকল্পনা সফল হয় নাই। বর্তমানে স্বাধীনতা বিরোধী সেই চক্র বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে প্রধানমন্ত্রী ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। সেদিন প্রধানমন্ত্রী বেঁচে না থাকলে আজ বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক অর্জন গুলো ভেস্তে যেত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য